April 9, 2026, 12:55 pm

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

শনাক্ত আবার আড়াই হাজারের বেশি

ডিটেকটিভ ডেস্কঃঃ

mostbet

৪২ দিন পর দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আবারো আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৩৭ জন। একই সময়ে আরো ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল এর চেয়ে বেশি ২ হাজার ৯৫৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এনিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১২ হাজার ৯৪৯ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮ লাখ ১৭ হাজার ৮১৯ জন হয়েছে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৫৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে একদিনে আরো ২ হাজার ২৬৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৯ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গতবছর ৮ মার্চ। তা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১১ মে তা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে সাড়ে ১৭ কোটি ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে সাড়ে ৩৭ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি মানুষের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা অন্তত দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর